2026-02-12
২০টি সেরা বাংলাদেশি স্ট্রিট ফুড যা অবশ্যই খেতে হবে
বাংলাদেশি স্ট্রিট ফুড স্বাদ, টেক্সচার এবং সংস্কৃতির এক মহাবিশ্ব। এখানে ২০টি অবশ্য-খাওয়া আইটেম।
১. ফুচকা — মচমচে গোলায় মশলাদার আলু ভর্তি, টক তেঁতুলের জলে ডোবানো। স্ট্রিট ফুডের রাজা।
২. চটপটি — ছোলার কারিতে ডিম, পেঁয়াজ ও তেঁতুলের সস। অনন্যভাবে বাংলাদেশি।
৩. ঝালমুড়ি — মুড়ি সরিষার তেল, বাদাম, পেঁয়াজ ও কাঁচা মরিচ দিয়ে মাখানো।
৪. সিঙ্গারা — খাস্তা ত্রিকোণ পেস্ট্রিতে মশলাদার আলুর পুর। বিকেলের চায়ের সাথে সেরা।
৫. বেগুনি — ব্যাটার মাখিয়ে ভাজা বেগুনের টুকরা। বাইরে মচমচে, ভেতরে গলে যায়।
৬. পেঁয়াজি — জিরা ও মরিচ দিয়ে পেঁয়াজের বড়া। বর্ষার অপরিহার্য।
৭. আলুর চপ — ডিমের ব্যাটারে মোড়া মশলাদার আলুর ক্রোকেট।
৮. সিঙ্গারা রোল — আধুনিক টুইস্ট: পরোটায় সিঙ্গারার পুর।
৯. দই ফুচকা — তেঁতুলের জলের বদলে মিষ্টি দই দিয়ে ফুচকা। ঢাকার স্পেশালিটি।
১০. হালিম — ধীরে রান্না করা গম ও মাংসের পরিজ। রমজানে বিশেষ জনপ্রিয়।
১১. জিলাপি — মচমচে, সিরায় ভেজানো পেঁচানো মিষ্টি। কড়াই থেকে গরম খেতে সেরা।
১২. লাচ্ছি — ঘন দইয়ের পানীয়, মিষ্টি বা নোনতা। গ্রীষ্মের সেরা শীতলতা।
১৩. বান-কাবাব — নরম বানে মশলাদার মাংসের প্যাটি ও চাটনি। বাংলাদেশের বার্গার।
১৪. মোগলাই পরোটা — ডিম ও কিমার পুর দেওয়া স্টাফড পরোটা।
১৫. চানাচুর — বাদাম, ডাল ও শুকনো নুডলসের মচমচে মশলাদার মিক্স।
১৬. মিষ্টি দই — ক্যারামেলাইজড চিনির মিষ্টি পাতা দই।
১৭. কুলফি — এলাচ ও পেস্তা দিয়ে ঘন, ক্রিমি ফ্রোজেন ডেজার্ট।
১৮. আম শত্ত্ব — রোদে শুকানো আমের পাল্প। মিষ্টি, টক ও চিবানো।
১৯. টক দই ফুচকা — চট্টগ্রামে জনপ্রিয় টক দইয়ের ফুচকা ভ্যারিয়েন্ট।
২০. চাটপাটি — চটপটির শুকনো ভার্সন, বেশি ক্রাঞ্চ ও মশলা।
সেরা কোথায় পাবেন পুরান ঢাকার চকবাজার, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এলাকা এবং নিউমার্কেট কিংবদন্তি স্পট। প্রতিটি পাড়ায় লুকানো রত্ন আছে — স্থানীয়দের তাদের প্রিয় ফুচকাওয়ালার কথা জিজ্ঞেস করুন!